পিএসসি কী? সরকারি কর্ম কমিশনের গঠন, মেয়াদ ও দায়িত্ব

২ আগস্ট, ২০২৬১০ মিনিট পড়া

পিএসসি কীভাবে গঠিত হয়, সদস্যদের যোগ্যতা ও মেয়াদ কত, কী কী দায়িত্ব পালন করে — সংবিধানের ১৩৭ থেকে ১৪১ অনুচ্ছেদ ধরে ব্যাখ্যা।

যে প্রতিষ্ঠানটি বিসিএস পরীক্ষা নেয়, সেটি সম্পর্কেই প্রশ্ন আসে বিসিএস পরীক্ষায় — বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন, সংক্ষেপে পিএসসি (Public Service Commission)। প্রার্থী হিসেবে এই প্রতিষ্ঠানের সাথে তোমার সম্পর্ক সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ, অথচ এর সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে অনেকেই জানেন না।

সংবিধানের নবম ভাগে, অনুচ্ছেদ ১৩৭ থেকে ১৪১-এর মধ্যে পিএসসি সম্পর্কে সব বলা আছে। মাত্র পাঁচটি অনুচ্ছেদ, আর তাতে যা যা আছে তার প্রায় সবই পরীক্ষায় আসে। এই লেখায় গঠন, নিয়োগ, যোগ্যতা, মেয়াদ, দায়িত্ব ও বার্ষিক রিপোর্ট — সব ধারাবাহিকভাবে সাজানো।

সরকারি কর্ম কমিশন কী

সরকারি কর্ম কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান — অর্থাৎ এর অস্তিত্ব ও ক্ষমতা সংবিধান থেকেই আসে, কোনো সাধারণ আইন থেকে নয়। এ কারণেই এটি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।

মূল কাজ এক কথায় — প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি বাছাই করা। বিসিএস পরীক্ষা এই দায়িত্বেরই সবচেয়ে বড় প্রকাশ।

কমিশন কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়

১৩৭ অনুচ্ছেদ — "আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে লইয়া প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে।"

দুটি জিনিস এখানে খেয়াল করার মতো:

  • সংবিধান একাধিক কমিশনের সুযোগ রেখেছে। বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে দুটি কমিশন ছিল, পরে একটিতে পরিণত হয়।
  • সদস্য সংখ্যা সংবিধানে নির্দিষ্ট করা নেই — আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে। কেবল "একজন সভাপতি" থাকার কথা বলা আছে।

এই দ্বিতীয় বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের সাথে বড় পার্থক্য। নির্বাচন কমিশনে সংবিধানই সর্বোচ্চ সংখ্যা (অনধিক চারজন কমিশনার) বেঁধে দিয়েছে, পিএসসিতে দেয়নি।

সংবিধানের মূল পাঠ পড়তে চাইলে সংবিধানের অনুচ্ছেদগুলো বাংলায় সাজানো আছে।

সদস্য নিয়োগ ও যোগ্যতা

১৩৮(১) অনুচ্ছেদ — সভাপতি ও অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন।

তবে এখানে একটি শর্ত আছে যা পরীক্ষায় খুব আসে। প্রত্যেক কমিশনের যতদূর সম্ভব অর্ধেক (তবে অর্ধেকের কম নয়) সংখ্যক সদস্য এমন ব্যক্তি হবেন, যাঁরা কুড়ি বছর বা তার বেশি সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে কোনো সরকারের কর্মে কোনো পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

সহজ ভাষায় — কমিশনের অন্তত অর্ধেক সদস্যকে ২০ বছরের সরকারি চাকরির অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হতে হবে। যুক্তিটা বোঝা যায়: যাঁরা সরকারি কর্মে নিয়োগের জন্য বাছাই করবেন, তাঁদের অন্তত অর্ধেকের সরকারি কাজের অভিজ্ঞতা থাকা দরকার।

১৩৮(২) — কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা নির্ধারণ করবেন, সংসদ প্রণীত আইন সাপেক্ষে।

সদস্যদের মেয়াদ কত

১৩৯(১) অনুচ্ছেদ — দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর অথবা পঁয়ষট্টি বছর বয়স পূর্ণ হওয়া, এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে

এই "যেটি আগে ঘটে" অংশটাই প্রশ্নের মূল বিষয়। কেউ ৬২ বছর বয়সে নিযুক্ত হলে তিনি পাঁচ বছর নয়, তিন বছর দায়িত্ব পালন করবেন — কারণ ৬৫ বছরে পৌঁছে যাবেন।

অপসারণ ও পদত্যাগ

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য অপসারণ কঠিন করা হয়েছে।

১৩৯(২)সুপ্রিম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ছাড়া কমিশনের সভাপতি বা সদস্য অপসারিত হবেন না।

অর্থাৎ সরকার চাইলেই কাউকে সরাতে পারে না — সুপ্রিম কোর্টের বিচারক অপসারণের যে জটিল প্রক্রিয়া, সেটাই অনুসরণ করতে হয়। এই একই সুরক্ষা মহা হিসাব-নিরীক্ষকের ক্ষেত্রেও আছে (১২৯(২))।

১৩৯(৩)রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করা যাবে।

পিএসসির ইতিহাস

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে দুটি কমিশন ছিল — একটি সাধারণ প্রশাসনের জন্য, অন্যটি শিক্ষা ও অন্যান্য সেবার জন্য। সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে "এক বা একাধিক" কমিশনের কথা বলা আছে ঠিক এই কারণেই।

পরে দুটি কমিশন একীভূত করে একটি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন করা হয়, যা এখনো বহাল।

"বিসিএস" নামটি এসেছে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস থেকে। এটি একাধিক ক্যাডারে বিভক্ত — প্রশাসন, পুলিশ, পররাষ্ট্র, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর, নিরীক্ষা ও হিসাব, তথ্য, ডাক, রেলওয়ে সহ আরও অনেক। ক্যাডারগুলো দুই ভাগে — সাধারণ ক্যাডারকারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

কর্মাবসানের পর কী

১৩৯(৪) অনুচ্ছেদ — কর্মাবসানের পর কমিশনের সদস্য প্রজাতন্ত্রের কর্মে পুনরায় নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য থাকবেন না

তবে একটি ব্যতিক্রম আছে — কর্মাবসানের পর কোনো সভাপতি এক মেয়াদের জন্য পুনর্নিয়োগ পেতে পারেন।

উদ্দেশ্য একই — দায়িত্ব পালনকালে পরবর্তী পদের প্রত্যাশা যেন সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত না করে।

কমিশনের দায়িত্ব কী কী

১৪০(১) অনুচ্ছেদে তিনটি দায়িত্ব বলা আছে:

  1. প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদের মনোনয়নের উদ্দেশ্যে যাচাই ও পরীক্ষা-পরিচালনা
  2. রাষ্ট্রপতি পরামর্শ চাইলে সেই বিষয়ে উপদেশদান
  3. আইনের দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন

প্রথমটিই বিসিএস পরীক্ষা — প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক, তিন ধাপেই কমিশন পরীক্ষা নেয় ও বাছাই করে।

১৪০(২) আরও গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রপতি কয়েকটি ক্ষেত্রে কমিশনের সাথে পরামর্শ করতে বাধ্য:

  • প্রজাতন্ত্রের কর্মের জন্য যোগ্যতা ও নিয়োগের পদ্ধতি সংক্রান্ত বিষয়
  • প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদান, পদোন্নতি ও এক কর্ম থেকে অন্য কর্মে বদলি সংক্রান্ত নীতি
  • কর্মচারীদের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়

অর্থাৎ পিএসসি কেবল পরীক্ষা নেয় না — সরকারি চাকরির নীতিনির্ধারণেও সাংবিধানিকভাবে উপদেষ্টার ভূমিকা রাখে।

বার্ষিক রিপোর্ট

১৪১ অনুচ্ছেদ নিয়ে প্রশ্ন আসে তারিখের কারণে।

প্রত্যেক কমিশন প্রতি বছর মার্চ মাসের প্রথম দিবসে বা তার পূর্বে পূর্ববর্তী ৩১ ডিসেম্বরে সমাপ্ত এক বছরের কার্যাবলী সম্পর্কে রিপোর্ট প্রস্তুত করে রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করবে।

রিপোর্টের সাথে একটি স্মারকলিপি থাকবে, যাতে লেখা থাকবে:

  • কমিশনের কোনো পরামর্শ গৃহীত না হলে সেই ক্ষেত্র ও কারণ
  • যেসব ক্ষেত্রে পরামর্শ করা উচিত ছিল অথচ করা হয়নি, সেই ক্ষেত্র ও কারণ

এই স্মারকলিপির বিধানটি চমৎকার — সরকার কমিশনের পরামর্শ উপেক্ষা করলে সেটা লিখিতভাবে সংসদে যাবে।

১৪১(৩) — রিপোর্ট পেশের বছরের ৩১ মার্চের পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে রাষ্ট্রপতি রিপোর্ট ও স্মারকলিপি সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করবেন।

তিনটি তারিখ মনে রাখো — ৩১ ডিসেম্বর (বছর শেষ), ১ মার্চ (রিপোর্ট পেশের শেষ দিন), ৩১ মার্চ (এর পরের সংসদ বৈঠকে উপস্থাপন)।

বিসিএস পরীক্ষা কীভাবে হয়

পিএসসির সবচেয়ে দৃশ্যমান কাজ বিসিএস পরীক্ষা, যা তিন ধাপে হয়:

ধাপ ধরন নম্বর
প্রিলিমিনারি MCQ, বাছাই পরীক্ষা ২০০
লিখিত রচনামূলক ৯০০ (সাধারণ ক্যাডার)
মৌখিক ভাইভা ১০০

প্রিলিমিনারি কেবল বাছাইয়ের জন্য — এর নম্বর চূড়ান্ত মেধাতালিকায় যোগ হয় না। চূড়ান্ত ফল হয় লিখিত ও মৌখিকের যোগফলে

প্রিলিমিনারিতে বাংলা ও ইংরেজি মিলিয়ে ৭০ নম্বর — পুরো পরীক্ষার তিন ভাগের এক ভাগেরও বেশি। এই দুটির প্রস্তুতির জন্য বাংলা ব্যাকরণEnglish Grammar বই অধ্যায় ধরে সাজানো আছে।

পিএসসি আর কোন পরীক্ষা নেয়

বিসিএস ছাড়াও পিএসসি নেয়:

  • নন-ক্যাডার পদের নিয়োগ পরীক্ষা
  • বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদের নিয়োগ
  • বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা

তবে সব সরকারি নিয়োগ পিএসসি করে না। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির অনেক নিয়োগ সংশ্লিষ্ট দপ্তর নিজেরাই করে, আর বিচার বিভাগের নিয়োগ হয় আলাদা কমিশনের মাধ্যমে।

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনা

প্রতিষ্ঠান অনুচ্ছেদ মেয়াদ অপসারণ
সরকারি কর্ম কমিশন ১৩৭–১৪১ ৫ বছর বা ৬৫ বছর বিচারকের মতো
মহা হিসাব-নিরীক্ষক ১২৭–১৩২ ৫ বছর বা ৬৫ বছর বিচারকের মতো
নির্বাচন কমিশন ১১৮–১২৬ ৫ বছর
অ্যাটর্নি-জেনারেল ৬৪ রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী

পিএসসি ও মহা হিসাব-নিরীক্ষক — এই দুটির মেয়াদ ও অপসারণ পদ্ধতি অভিন্ন। একসাথে মনে রাখলে সুবিধা।

কোথায় পিএসসির পরামর্শ লাগে না

১৪০(২) অনুচ্ছেদ পরামর্শ বাধ্যতামূলক করেছে, কিন্তু সংবিধান কিছু ক্ষেত্র এর বাইরে রেখেছে। সাধারণভাবে যেসব ক্ষেত্রে কমিশনের পরামর্শ লাগে না:

  • অস্থায়ী বা সাময়িক নিয়োগ, যা সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য
  • আইনের দ্বারা নির্দিষ্টভাবে অব্যাহতি দেওয়া পদ ও সেবা
  • বিচার বিভাগের নিয়োগ, যা আলাদা প্রক্রিয়ায় হয়

এই ব্যতিক্রমগুলো থাকার কারণেই সব সরকারি নিয়োগে পিএসসির নাম আসে না। প্রশ্নে "নিচের কোনটিতে পিএসসির পরামর্শ প্রয়োজন নয়" এই আকারে আসতে পারে।

প্রজাতন্ত্রের কর্ম বলতে কী বোঝায়

পিএসসির পুরো কাজ ঘোরে "প্রজাতন্ত্রের কর্ম" (service of the Republic) কথাটিকে ঘিরে, তাই এর অর্থ জানা দরকার।

সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্ম মানে — বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত বেসামরিক বা সামরিক যেকোনো পদ বা চাকরি, যার বেতন প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাব থেকে দেওয়া হয়।

অর্থাৎ এটি কেবল প্রশাসন ক্যাডার নয় — সরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সবই এর অন্তর্ভুক্ত। এ কারণেই পিএসসির এখতিয়ার এত বিস্তৃত।

যেসব ভুল সবচেয়ে বেশি হয়

এক, সদস্য সংখ্যা মুখস্থ করা। সংবিধানে পিএসসির সদস্য সংখ্যা নেই — আইনে নির্ধারিত। নির্বাচন কমিশনের সাথে গুলিয়ে ফেলো না।

দুই, মেয়াদে বয়স ভুলে যাওয়া। পাঁচ বছর বা ৬৫ বছর — যেটি আগে ঘটে। শুধু "পাঁচ বছর" বললে অসম্পূর্ণ।

তিন, ২০ বছরের শর্ত ভুলে যাওয়া। অন্তত অর্ধেক সদস্যের ২০ বছরের সরকারি চাকরির অভিজ্ঞতা লাগে।

চার, পুনর্নিয়োগ। সাধারণ সদস্য প্রজাতন্ত্রের কর্মে ফিরতে পারেন না, কিন্তু সভাপতি এক মেয়াদের জন্য পুনর্নিয়োগ পেতে পারেন।

পাঁচ, রিপোর্টের তারিখ। ১ মার্চের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে, ৩১ মার্চের পর সংসদে।

পরীক্ষায় যেভাবে প্রশ্ন আসে

  1. অনুচ্ছেদ — "সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা কোন অনুচ্ছেদে?" (উত্তর: ১৩৭)
  2. মেয়াদ — "পিএসসি সদস্যের মেয়াদ কত?" (উত্তর: ৫ বছর বা ৬৫ বছর বয়স, যেটি আগে)
  3. নিয়োগ — "পিএসসির সভাপতি নিয়োগ দেন কে?" (উত্তর: রাষ্ট্রপতি)
  4. রিপোর্ট — "পিএসসি বার্ষিক রিপোর্ট কার কাছে পেশ করে?" (উত্তর: রাষ্ট্রপতি)

বিগত বিসিএসে এই ধরনের প্রশ্ন দেখতে সংবিধান বিষয়ের প্রশ্নব্যাংকে সাজানো আছে।

কোথা থেকে শুরু করবে

  1. ১৩৭–১৪১ একসাথে পড়ো — পুরো অংশ পাঁচটি অনুচ্ছেদে।
  2. সংখ্যাগুলো লিখে রাখো — ২০ বছর, ৫ বছর, ৬৫ বছর, ১ মার্চ, ৩১ মার্চ।
  3. মহা হিসাব-নিরীক্ষকের সাথে মিলিয়ে পড়ো — মেয়াদ ও অপসারণ একই।
  4. মূল পাঠ পড়োসংবিধান থেকে নিজে পড়লে ভাষাটা চেনা হয়ে যায়।
  5. অনুশীলন করোবাংলাদেশ বিষয়াবলিতে প্র্যাকটিস করলে ভুলগুলো নিজে থেকেই ভুল খাতায় জমা হবে।

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশন নিয়ে লেখাটিও দেখতে পারো।

শেষ কথা

পিএসসি অংশটা ছোট, কিন্তু প্রশ্ন আসে নিয়মিত — সম্ভবত এ কারণেই যে প্রশ্নকর্তারা নিজেরাই এই প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত।

মনে রাখার সূত্র — ১৩৭ প্রতিষ্ঠা, ১৩৮ নিয়োগ, ১৩৯ মেয়াদ, ১৪০ দায়িত্ব, ১৪১ রিপোর্ট। ক্রমটা যুক্তিসঙ্গত, তাই একবার ধরলে ভোলার কথা নয়।

Ah

Ahosan Habib

@ahosanhabib922

অচিনপুরের নির্মাতা। BCS ও চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে লেখেন — সিলেবাস, ব্যাকরণ ও পড়ার কৌশল।

সরকারি কর্ম কমিশনপিএসসিসংবিধানবিসিএস

আরও পড়ো