সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কোন বিভাগের অধীন এবং কী কাজ করে?

২ আগস্ট, ২০২৬১২ মিনিট পড়া

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সড়কের শ্রেণিবিন্যাস ও এলজিইডির সঙ্গে পার্থক্য নিয়ে বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষার জন্য গোছানো পাঠ।

পরিবহন খাতের প্রতিষ্ঠান নিয়ে প্রশ্ন এলে পরীক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি আটকায় একটা জায়গায় — কোন প্রতিষ্ঠান কোন মন্ত্রণালয়ের, আর সেই মন্ত্রণালয়ের কোন বিভাগের। নামগুলো চেনা, কিন্তু কাঠামোটা ঝাপসা।

এই লেখায় তুমি আগে কাঠামো দাঁড় করাবে, তারপর কাজে যাবে। এই ক্রম উল্টে ফেললে তথ্য মাথায় থাকে না, কারণ পরিবহন খাতে পাশাপাশি অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান কাজ করে এবং তাদের কাজ দেখতে অনেকটা একরকম মনে হয়।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর আসলে কী

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর হলো বাংলাদেশের বড় সড়ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কেন্দ্রীয় নির্বাহী প্রতিষ্ঠান। সংক্ষেপে একে বলা হয় সওজ, ইংরেজিতে Roads and Highways Department বা আরএইচডি।

পরিভাষাটা আগে পরিষ্কার করে নাও। মন্ত্রণালয় নীতি ঠিক করে, বিভাগ সেই নীতির নির্দিষ্ট একটি ক্ষেত্র দেখে, আর অধিদপ্তর মাঠপর্যায়ে কাজটা করে। তাই "সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর একটি মন্ত্রণালয়" — এই বাক্যটি ভুল।

সওজের কাজের ধরনটা এক লাইনে ধরা যায় — দেশের বড় সড়কগুলো, অর্থাৎ যেগুলো দিয়ে জেলা থেকে জেলায় বা বিভাগ থেকে বিভাগে যাওয়া যায়, সেগুলো তৈরি করা ও চালু রাখা।

মন্ত্রণালয় ও দুই বিভাগের কাঠামো

সড়ক খাতের মূল মন্ত্রণালয়ের নাম সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি বিভাগ আছে।

বিভাগ দায়িত্বের ধরন
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ মহাসড়ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, যানবাহন নিবন্ধন ও গণপরিবহন
সেতু বিভাগ বড় সেতু, টানেলসহ বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিচালনা

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর পড়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনে। এই এক লাইনটি ভালো করে গেঁথে নাও, কারণ প্রশ্নটা প্রায়ই হুবহু এভাবেই আসে।

আর বড় সেতুর দায়িত্ব সওজের নয় — সেটি সেতু বিভাগের অধীন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কাজ। এই ভাগটা নিয়ে বিস্তারিত পাবে সেতু কর্তৃপক্ষ নিয়ে লেখাটিতে

এক নজরে অধীনতার শৃঙ্খল

উপর থেকে নিচে সরলরেখা টানলে কাঠামো আর গুলিয়ে যাবে না।

ধাপ নাম
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর
জোন
সার্কেল
সড়ক বিভাগ
উপবিভাগ

সওজের প্রধান নির্বাহী হলেন প্রধান প্রকৌশলী। অন্য অনেক অধিদপ্তরের প্রধান যেখানে মহাপরিচালক, সেখানে প্রকৌশল অধিদপ্তরগুলোর প্রধান প্রকৌশলী — এই পার্থক্যটাও প্রশ্নে আসে।

মাঠপর্যায়ের স্তরগুলোও এক নজরে বুঝে নাও। বড় ভৌগোলিক এলাকা ধরে জোন কাজ করে, জোনের ভেতরে থাকে সার্কেল, সার্কেলের ভেতরে সড়ক বিভাগ, আর সবচেয়ে নিচে উপবিভাগ। সড়ক বিভাগের দায়িত্বে সাধারণত থাকেন নির্বাহী প্রকৌশলী। কোনো নির্দিষ্ট মহাসড়কের মেরামত বা তদারকির খবরে যখন "সড়ক বিভাগ" শব্দটি দেখো, তখন বুঝবে সেটি সওজের মাঠপর্যায়ের একটি একক — আলাদা কোনো প্রতিষ্ঠান নয়।

একই বিভাগের অধীন অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনে শুধু সওজ নেই। পাশাপাশি আরও দুটি নাম মনে রাখতে হবে।

প্রতিষ্ঠান মূল কাজ
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর মহাসড়ক ও জেলা সড়ক নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ
বিআরটিএ যানবাহনের নিবন্ধন, ফিটনেস, ড্রাইভিং লাইসেন্স, রুট পারমিট
বিআরটিসি সরকারি মালিকানাধীন বাস ও ট্রাক পরিচালনা

পার্থক্যটা এক বাক্যে ধরে রাখো — সওজ রাস্তা বানায়, বিআরটিএ সেই রাস্তায় চলার অনুমতি দেয়, আর বিআরটিসি সেই রাস্তায় গাড়ি চালায়। তিনটিই একই বিভাগের অধীন, কিন্তু কাজ সম্পূর্ণ আলাদা।

সওজের প্রধান কাজগুলো

কাজগুলোকে ভাগ করে নিলে মুখস্থ করার দরকার পড়ে না।

কাজের ক্ষেত্র ব্যাখ্যা
নির্মাণ নতুন মহাসড়ক, বাইপাস ও সংযোগ সড়ক তৈরি
রক্ষণাবেক্ষণ বিদ্যমান সড়কের মেরামত, পুনর্বাসন ও সংস্কার
সেতু ও কালভার্ট নিজের আওতাধীন সড়কে ছোট ও মাঝারি সেতু, কালভার্ট নির্মাণ
প্রশস্তকরণ দুই লেনের সড়ককে চার লেনে উন্নীত করা
ফেরি পরিচালনা মহাসড়কের ধারাবাহিকতা রাখতে নির্দিষ্ট ঘাটে ফেরি সার্ভিস
সড়ক নিরাপত্তা সড়ক চিহ্ন, ডিভাইডার, সাইনবোর্ড ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা
পরিকল্পনা ও নকশা সড়কের সারিবিন্যাস, নকশা ও সম্ভাব্যতা যাচাই

মনে রাখার সহজ সূত্র — সওজের হাতে যে সড়ক, সেই সড়কের সেতু-কালভার্টও সওজের। কিন্তু নদীর ওপর বড় সেতু আলাদা হিসাব।

এখানে একটা কথা আলাদা করে বুঝে নাও। নতুন সড়ক নির্মাণ যতটা আলোচিত, রক্ষণাবেক্ষণ ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে বর্ষার পানি, ভারী যানবাহনের চাপ ও নদীভাঙনের কারণে সড়কের আয়ু কমে যায়, তাই প্রতি বছর মেরামত ও পুনর্বাসনের কাজ করতে হয়। পরীক্ষায় "সওজের কাজ কী" জিজ্ঞাসা করলে শুধু নির্মাণ লিখে এলে উত্তর অসম্পূর্ণ থেকে যায় — নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ দুটোই লিখতে হবে।

সড়কের শ্রেণিবিন্যাস — N, R, Z

এই অংশটি সওজ সংক্রান্ত সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত অংশ। সওজের সড়কগুলোকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয় এবং প্রতিটি শ্রেণির আলাদা কোড আছে।

শ্রেণি কোড পরিচয়
জাতীয় মহাসড়ক N রাজধানীকে বিভাগীয় শহর, বড় বন্দর ও আন্তর্জাতিক সংযোগের সঙ্গে যুক্ত করে
আঞ্চলিক মহাসড়ক R এক অঞ্চলের জেলাগুলোকে পরস্পরের ও জাতীয় মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত করে
জেলা সড়ক Z জেলা সদর থেকে উপজেলা সদর ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের সংযোগ

তিনটি অক্ষর মনে রাখার কৌশল — N মানে National, R মানে Regional, Z মানে Zila। ইংরেজি বানানের প্রথম অক্ষরই কোড। এটুকু ধরে রাখলে অপশন দেখে ভুল করার সুযোগ থাকে না।

জাতীয় মহাসড়ক সবচেয়ে উঁচু শ্রেণি, তারপর আঞ্চলিক মহাসড়ক, তারপর জেলা সড়ক। এই ক্রমটা উল্টো করে দিয়ে প্রশ্ন করা হয় প্রায়ই।

শ্রেণিবিন্যাসের যুক্তিটাও ধরে রাখো। কোন সড়ক কোন শ্রেণিতে পড়বে তা ঠিক হয় সেই সড়ক কাকে কার সঙ্গে যুক্ত করছে তার ভিত্তিতে। রাজধানী, বিভাগীয় শহর ও বন্দরের সংযোগ হলে জাতীয়; একই অঞ্চলের জেলাগুলোর মধ্যে সংযোগ হলে আঞ্চলিক; আর জেলা সদর থেকে উপজেলার সংযোগ হলে জেলা সড়ক। যুক্তিটা বুঝে নিলে নাম দেখেই শ্রেণি অনুমান করতে পারবে, আলাদা করে তালিকা মুখস্থ করতে হবে না।

আর এই তিন শ্রেণির বাইরের সড়ক সওজের নয়। উপজেলা সড়ক, ইউনিয়ন সড়ক ও গ্রামীণ সড়ক — এই তিনটি সম্পূর্ণ আলাদা প্রতিষ্ঠানের আওতায়, যা নিয়ে পরের অংশেই আলোচনা আছে।

ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক কেন আলাদা করে পড়বে

দেশের ব্যস্ততম মহাসড়ক হলো ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক। কারণটা বুঝলে তথ্যটা আর ভুলবে না — রাজধানীর সঙ্গে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের সংযোগ এই পথেই, তাই আমদানি-রপ্তানির পণ্য পরিবহনের বড় অংশ এখান দিয়েই যায়।

এই সূত্রেই বন্দরের সঙ্গে সড়কের সম্পর্কটা মিলিয়ে পড়ে ফেলো — চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নিয়ে লেখাটি এই একই প্রশ্নসেটে কাজে লাগবে।

জাতীয় মহাসড়কের কোড N দিয়ে শুরু হয় এবং ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোড N1। মহাসড়কের দৈর্ঘ্য বা লেনসংখ্যার হালনাগাদ হিসাব বদলায়, তাই সেসব সংখ্যা মুখস্থ না করে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স অংশে দেখে নিও।

সওজ বনাম এলজিইডি — মূল ভাগটা এখানে

এই পার্থক্যটাই এই অধ্যায়ের সবচেয়ে বড় ফাঁদ।

বিষয় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এলজিইডি
মন্ত্রণালয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
বিভাগ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ স্থানীয় সরকার বিভাগ
সড়কের ধরন জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক, জেলা সড়ক উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামীণ সড়ক
অন্য কাজ মহাসড়কের সেতু-কালভার্ট, ফেরি হাটবাজার, ছোট সেচ অবকাঠামো, গ্রামীণ সেতু

এই টেবিলটা মাথায় রাখলে একটা সাধারণ বিভ্রান্তিও কেটে যাবে। দুই প্রতিষ্ঠানই সড়ক বানায়, দুই প্রতিষ্ঠানেই প্রকৌশলীরা কাজ করেন, দুই প্রতিষ্ঠানের নামেই "সড়ক" শব্দ আসে — কিন্তু তারা এক মন্ত্রণালয়ের অধীন নয়। মন্ত্রণালয়ের নাম জিজ্ঞাসা করলেই বেশিরভাগ পরীক্ষার্থী এখানে নম্বর হারায়।

এক বাক্যে — সওজ বড় মহাসড়ক করে, এলজিইডি গ্রামীণ সড়ক করে। দুটি প্রতিষ্ঠান দুই আলাদা মন্ত্রণালয়ের অধীন। বিস্তারিত ভাগটা দেখে নাও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর নিয়ে লেখাটিতে

ভবন নির্মাণ সওজের কাজ নয়

আরেকটি গুলিয়ে ফেলার জায়গা — সরকারি ভবন। সওজ সড়ক করে, ভবন করে না।

সরকারি অফিস, বাসভবন ও হাসপাতাল ভবন নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করে গণপূর্ত অধিদপ্তর, আর সেই ভবনের নকশা করে স্থাপত্য অধিদপ্তর। এই দুটিই গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন, সড়ক মন্ত্রণালয়ের নয়। ভাগটা মিলিয়ে নিতে পড়ো গণপূর্ত অধিদপ্তরস্থাপত্য অধিদপ্তর নিয়ে লেখা দুটি।

পরিবহন খাতের অন্য মাধ্যমগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে পড়ো

পরিবহন খাত নিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই মিশিয়ে করা হয় — সড়ক, রেল, নৌ ও বন্দর একসঙ্গে।

মাধ্যম দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান
মহাসড়ক সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর
গ্রামীণ সড়ক এলজিইডি
বড় সেতু ও টানেল বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ
রেলপথ বাংলাদেশ রেলওয়ে
সমুদ্রবন্দর বন্দর কর্তৃপক্ষ

রেলপথ আলাদা মন্ত্রণালয়ের অধীন — এটি সড়ক মন্ত্রণালয়ের অংশ নয়। বিস্তারিত পাবে বাংলাদেশ রেলওয়ে নিয়ে লেখাটিতে। আর পানি সম্পদ ও বাঁধের কাজ সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের — সেটি দেখো পানি উন্নয়ন বোর্ড নিয়ে লেখায়

যেসব ভুল সবচেয়ে বেশি হয়

ভুল এক। সওজকে মন্ত্রণালয় ভাবা। এটি একটি অধিদপ্তর, বিভাগের অধীন।

ভুল দুই। সওজকে সেতু বিভাগের অধীন ভাবা। সওজ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীন।

ভুল তিন। গ্রামীণ সড়ককে সওজের কাজ ভাবা। গ্রামীণ, ইউনিয়ন ও উপজেলা সড়ক এলজিইডির।

ভুল চার। পদ্মা সেতু বা বঙ্গবন্ধু সেতুকে সওজের প্রকল্প ভাবা। বড় সেতু সেতু কর্তৃপক্ষের।

ভুল পাঁচ। N, R, Z-এর ক্রম উল্টে ফেলা। N জাতীয়, R আঞ্চলিক, Z জেলা।

ভুল ছয়। সওজের প্রধানকে মহাপরিচালক লেখা। এখানে প্রধান প্রকৌশলী।

ভুল সাত। ড্রাইভিং লাইসেন্স বা গাড়ির নিবন্ধন সওজের কাজ ভাবা। ওটা বিআরটিএর।

ভুল আট। সরকারি ভবন নির্মাণ সওজের কাজ ভাবা। ওটা গণপূর্ত অধিদপ্তরের।

এই আটটি শুধরে নিলে এই অধ্যায় থেকে আসা প্রায় সব প্রশ্নই হাতের মুঠোয় চলে আসবে।

পরীক্ষায় যেভাবে প্রশ্ন আসে

ধরন এক — সরাসরি অধীনতা। "সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কোন বিভাগের অধীন?" উত্তর সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।

ধরন দুই — কোড মেলানো। "জাতীয় মহাসড়ক কোন অক্ষরে চিহ্নিত?" উত্তর N।

ধরন তিন — শ্রেণি চেনা। সড়কের নাম দিয়ে জিজ্ঞাসা করা হয় সেটি কোন শ্রেণির।

ধরন চার — প্রতিষ্ঠান বনাম কাজ মেলানো। বাঁ পাশে সওজ, এলজিইডি, বিআরটিএ, বিআরটিসি; ডান পাশে তাদের কাজ।

ধরন পাঁচ — ব্যস্ততম সড়ক। "দেশের ব্যস্ততম মহাসড়ক কোনটি?" উত্তর ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক।

ধরন ছয় — পূর্ণরূপ। সওজ বা আরএইচডির পূর্ণরূপ, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই।

লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্ন বড় হয় — "সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ভূমিকা আলোচনা করো" ধরনের। তখন এই লেখার টেবিলগুলোই তোমার উত্তরের কাঠামো। ব্যাংক ও নিয়োগ পরীক্ষার আগের প্রশ্নের ধাঁচ দেখতে ব্যাংক প্রস্তুতির বাংলাদেশ বিষয়াবলি অংশে চোখ রাখো।

এক নজরে মনে রাখার তথ্য

প্রশ্ন উত্তর
সওজের পূর্ণরূপ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর
ইংরেজি নাম Roads and Highways Department
মন্ত্রণালয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
বিভাগ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ
প্রধান নির্বাহী প্রধান প্রকৌশলী
সড়কের শ্রেণি জাতীয় মহাসড়ক, আঞ্চলিক মহাসড়ক, জেলা সড়ক
শ্রেণির কোড N, R, Z
ব্যস্ততম মহাসড়ক ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক
গ্রামীণ সড়ক কার এলজিইডি
বড় সেতু কার বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ
লাইসেন্স ও নিবন্ধন বিআরটিএ
সরকারি বাস পরিচালনা বিআরটিসি

পড়ার পর কী করবে

মুখস্থ করে ফেলে রাখলে দুই সপ্তাহে সব মুছে যাবে। পড়া শেষে সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োগে যাও।

প্রথমে বাংলাদেশ বিষয়াবলির প্র্যাকটিস অংশে গিয়ে এই অধ্যায়ের প্রশ্ন সমাধান করো। এরপর সময় ধরে একটা মক টেস্ট দাও — চাপের মধ্যে তথ্য মনে আসছে কি না, সেটাই আসল পরীক্ষা।

সড়ক প্রকল্পে ব্যয়, দৈর্ঘ্য বা লেনসংখ্যা নিয়ে অঙ্কভিত্তিক প্রশ্নও আসে; তার জন্য গাণিতিক যুক্তির অনুশীলন চালিয়ে যাও। আর সব উপকরণ এক জায়গায় পাবে ব্যাংক প্রস্তুতির পাতায় এবং সাধারণ প্র্যাকটিস অংশে

Ah

Ahosan Habib

@ahosanhabib922

অচিনপুরের নির্মাতা। BCS ও চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে লেখেন — সিলেবাস, ব্যাকরণ ও পড়ার কৌশল।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরবাংলাদেশ বিষয়াবলিবিসিএস প্রস্তুতিসরকারি প্রতিষ্ঠান

আরও পড়ো