আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে কয়টি বিভাগ আছে?

২ আগস্ট, ২০২৬১১ মিনিট পড়া

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগ, অধীন সংস্থা, অ্যাটর্নি-জেনারেলের ভূমিকা ও পরীক্ষায় আসা প্রশ্নের ধরন এক জায়গায় সাজানো।

আইন কে বানায়, আর আইনের খসড়া কে লেখে — এই দুটো এক জিনিস নয়। আইন পাস করে জাতীয় সংসদ, কিন্তু তার খসড়া তৈরির কারিগরি কাজটি করে একটি নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়।

সেই মন্ত্রণালয়টির নাম আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। নামটি লম্বা, কিন্তু ভেতরের গঠন খুবই পরিচ্ছন্ন — মাত্র দুটি বিভাগ।

মন্ত্রণালয় কী করে, অধিদপ্তর কী করে

সব মন্ত্রণালয়ের ক্ষেত্রেই মূল সূত্রটি এক — মন্ত্রণালয় নীতি ঠিক করে, অধীন দপ্তর ও সংস্থা তা বাস্তবায়ন করে।

দিক মন্ত্রণালয় অধীন দপ্তর ও সংস্থা
প্রধান কাজ নীতি প্রণয়ন নীতি বাস্তবায়ন
রাজনৈতিক প্রধান মন্ত্রী নেই
প্রশাসনিক প্রধান সচিব প্রধান বা সমমান কর্মকর্তা
অবস্থান বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা নিজস্ব দপ্তর
নাগরিকের সঙ্গে সরাসরি সেবা কম বেশি

মন্ত্রিসভার সমন্বয় করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, যা প্রধানমন্ত্রীর অধীন। সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদ মন্ত্রিসভা সংক্রান্ত, ৫৬ অনুচ্ছেদ মন্ত্রী নিয়োগ সংক্রান্ত — মন্ত্রীদের নয়-দশমাংশ আসবেন সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে, অনধিক এক-দশমাংশ বাইরে থেকে অর্থাৎ টেকনোক্র্যাট।

দুটি বিভাগ

এই মন্ত্রণালয়ের কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য — এটি দুই বিভাগে বিভক্ত।

বিভাগ মূল দায়িত্ব
আইন ও বিচার বিভাগ বিচার প্রশাসন, অধস্তন আদালত, আইনগত সহায়তা, কৌঁসুলি নিয়োগ
লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ আইনের খসড়া প্রণয়ন, ভেটিং, সংসদ সংক্রান্ত সমন্বয়

নাম দুটো মনে রাখার সহজ উপায়: আদালত সংক্রান্ত সবকিছু যায় আইন ও বিচার বিভাগে, আর আইনের ভাষা ও খসড়া সংক্রান্ত সবকিছু যায় লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগে।

আইন ও বিচার বিভাগের কাজ

কাজ ব্যাখ্যা
অধস্তন আদালতের প্রশাসন নিম্ন আদালতের প্রশাসনিক বিষয়াদি তদারকি
বিচারক সংক্রান্ত বিষয় নিয়োগ ও পদায়ন সংক্রান্ত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া
সরকারি কৌঁসুলি নিয়োগ রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী নিয়োগ
আইনগত সহায়তা অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের জন্য সরকারি সহায়তা কর্মসূচি
আইন সংক্রান্ত মতামত সরকারের বিভিন্ন দপ্তরকে আইনি পরামর্শ

মনে রাখো, প্রশাসনিক তদারকি আর বিচারিক স্বাধীনতা আলাদা জিনিস। মন্ত্রণালয় আদালতের প্রশাসনিক দিক দেখে, রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে আদালত স্বাধীন। উচ্চ আদালতের কাঠামো ও এখতিয়ার জানতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট লেখাটি পড়ে নাও।

আদালতের স্তরবিন্যাস মাথায় থাকলে প্রশ্নের ভাষা দেখেই বোঝা যায় কোন স্তরের কথা বলা হচ্ছে।

স্তর পরিচয়
সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে গঠিত সর্বোচ্চ আদালত
অধস্তন আদালত জেলা ও দায়রা জজ আদালতসহ নিম্ন আদালতসমূহ

"অধস্তন আদালত" শব্দটি দেখলেই মনে করবে এই মন্ত্রণালয়ের কথা বলা হচ্ছে। আর "সুপ্রিম কোর্ট" শব্দটি দেখলে মনে রাখবে, সেটি স্বতন্ত্র সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।

লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের কাজ

এই বিভাগটি সরকারের "আইনের ভাষাশিল্পী"। কোনো মন্ত্রণালয় নতুন আইন চাইলে নীতিগত প্রস্তাব পাঠায়, আর সেই প্রস্তাবকে আইনের নির্ভুল ভাষায় রূপ দেয় এই বিভাগ।

কাজ ব্যাখ্যা
খসড়া প্রণয়ন বিল ও অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি
ভেটিং অন্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত আইনের ভাষা ও কাঠামো পরীক্ষা
বিধিমালা পরীক্ষা বিধি ও প্রবিধানের খসড়া যাচাই
সংসদ সমন্বয় সংসদে বিল উপস্থাপনসংক্রান্ত সমন্বয়
আইন সংকলন প্রণীত আইনের সংকলন ও প্রকাশনা

একটি বিল সংসদে পাসের পর রাষ্ট্রপতির সম্মতিতে আইনে পরিণত হয়। আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার ধাপগুলো ভালোভাবে বুঝতে সংবিধান অংশটি পড়ে নাও, কারণ এই দুই বিষয় একসঙ্গে প্রশ্নে আসে।

একটি আইন জন্ম নেয় যেভাবে

প্রশ্নে সরাসরি ধাপ জানতে চাওয়া হয় বলে ক্রমটি গেঁথে রাখো।

ধাপ কে করে
নীতিগত প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়
খসড়া প্রণয়ন ও ভেটিং লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ
মন্ত্রিসভায় অনুমোদন মন্ত্রিসভা
সংসদে বিল উত্থাপন ও পাস জাতীয় সংসদ
সম্মতি প্রদান রাষ্ট্রপতি
প্রজ্ঞাপন ও প্রকাশ সরকার

খেয়াল করো, মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা এখানে দুই জায়গায় — শুরুতে খসড়া তৈরিতে, আর শেষে সংকলন ও প্রকাশে। মাঝের ধাপগুলো রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া।

সংসদ অধিবেশন চলাকালে বিল উত্থাপনের সময়সূচি, সংশোধনী প্রস্তাব ও কমিটিতে পাঠানোর সমন্বয়ও এই বিভাগের কাজের অংশ। তাই "সংসদ বিষয়ক" শব্দটি মন্ত্রণালয়ের নামে জুড়ে আছে।

আইনগত সহায়তা কর্মসূচি

বিচার পাওয়ার অধিকার সবার — কিন্তু আইনজীবীর খরচ বহন করার সামর্থ্য সবার থাকে না। এই বাস্তবতা থেকেই সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির জন্ম।

দিক ব্যাখ্যা
উদ্দেশ্য অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে বিনা খরচে আইনি সহায়তা
সেবার ধরন আইনজীবী নিয়োগ, আইনি পরামর্শ, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি
তদারকি আইন ও বিচার বিভাগ
স্থানীয় পর্যায় জেলা পর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে পরিচালনা

লিখিত পরীক্ষায় "ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার" নিয়ে প্রশ্ন এলে এই কর্মসূচির কথা লিখলে উত্তর অনেক শক্ত হয়। সংবিধানে আইনের দৃষ্টিতে সমতার নীতিটির সঙ্গে এই কর্মসূচি সরাসরি যুক্ত।

অ্যাটর্নি-জেনারেল

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন অ্যাটর্নি-জেনারেল। সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদে এই পদের কথা বলা হয়েছে, এবং তাঁকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি

বিষয় তথ্য
পরিচয় রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা
সাংবিধানিক অনুচ্ছেদ ৬৪
নিয়োগকর্তা রাষ্ট্রপতি
প্রধান কাজ রাষ্ট্রের পক্ষে আদালতে প্রতিনিধিত্ব ও আইনি পরামর্শ

অনেকে অ্যাটর্নি-জেনারেলকে আইনমন্ত্রীর সমার্থক ভাবে। দুটো আলাদা — একজন রাজনৈতিক পদাধিকারী, অন্যজন রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তা। রাষ্ট্রপতির নিয়োগক্ষমতা ও নির্বাচনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি লেখাটি কাজে লাগবে।

অধীন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থা

সংস্থা সম্পর্কের ধরন
বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন অধস্তন আদালতের বিচারক নিয়োগে পরীক্ষা ও বাছাই
আইন কমিশন আইন সংস্কার ও পরিমার্জনের সুপারিশ প্রণয়ন
আইনগত সহায়তা সংক্রান্ত সংস্থা অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের সহায়তা
সরকারি কৌঁসুলির দপ্তরসমূহ রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা
রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত অধিদপ্তর দলিল নিবন্ধন ও সংরক্ষণ

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন নিয়ে আলাদা প্রশ্ন আসে — কারা পরীক্ষা নেয়, কারা নিয়োগ দেয়, কীভাবে বাছাই হয়। বিস্তারিত পাবে জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন লেখায়।

আইন কমিশন আইন প্রণয়ন করে না; পুরোনো আইন পর্যালোচনা করে সংস্কারের সুপারিশ দেয়। এই পার্থক্যটি প্রশ্নে ধরা হয়।

তিনটি প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা একটি ছকে পাশাপাশি রাখলে বিভ্রান্তি আর থাকে না।

প্রতিষ্ঠান কাজ যা করে না
আইন কমিশন আইন সংস্কারের সুপারিশ আইন প্রণয়ন করে না
জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন অধস্তন আদালতের বিচারক বাছাই নিয়োগ আদেশ জারি করে না
লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ আইনের খসড়া প্রণয়ন আইন পাস করে না

তিনটির শেষ কলামটিই আসলে প্রশ্নের ফাঁদ। "কে আইন প্রণয়ন করে" জিজ্ঞেস করলে উত্তর সবসময় জাতীয় সংসদ, কোনো কমিশন বা বিভাগ নয়।

বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের সম্পর্ক

সংবিধানের কাঠামোয় রাষ্ট্রক্ষমতা তিন ভাগে বিভক্ত — আইন প্রণয়ন, নির্বাহী ও বিচার। এই মন্ত্রণালয়টি নির্বাহী বিভাগের অংশ হলেও এর কাজের অনেকটাই আইন ও বিচার সংক্রান্ত।

বিভাগ প্রধান প্রতিষ্ঠান মূল কাজ
আইন প্রণয়ন বিভাগ জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়ন
নির্বাহী বিভাগ মন্ত্রিসভা ও প্রশাসন আইন বাস্তবায়ন
বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট ও অধস্তন আদালত আইনের ব্যাখ্যা ও বিচার

তিন বিভাগের সীমারেখা ও পারস্পরিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লিখিত প্রশ্ন খুব সাধারণ। প্রস্তুতির জন্য সংবিধান অধ্যায় ধরে অনুশীলন করো।

যেসব ভুল সবচেয়ে বেশি হয়

এক, দুই বিভাগের নাম উল্টে ফেলা। আদালত সংক্রান্ত কাজ আইন ও বিচার বিভাগের, খসড়া প্রণয়ন লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের।

দুই, অ্যাটর্নি-জেনারেলকে আইনমন্ত্রী ভাবা। দুটো সম্পূর্ণ আলাদা পদ।

তিন, অ্যাটর্নি-জেনারেলের নিয়োগকর্তা নিয়ে দ্বিধা। নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।

চার, আইন কমিশনকে আইন প্রণয়নকারী সংস্থা ভাবা। এটি সুপারিশ করে মাত্র।

পাঁচ, জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনকে সরকারি কর্ম কমিশনের অংশ ভাবা। দুটি আলাদা সংস্থা — একটি বিচারক বাছাই করে, অন্যটি সাধারণ ক্যাডার প্রার্থী বাছাই করে। পার্থক্য বুঝতে সরকারি কর্ম কমিশন লেখাটি দেখে নাও।

ছয়, কারাগার ও পুলিশকে এই মন্ত্রণালয়ের অধীন ভাবা। দুটোই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন — দেখে নাও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় লেখা।

সাত, উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগকে অধস্তন আদালতের নিয়োগপ্রক্রিয়ার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা। দুটোর প্রক্রিয়া আলাদা।

পরীক্ষায় যেভাবে প্রশ্ন আসে

প্রশ্নের ধরন নমুনা
গঠন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিভাগ কয়টি?
দায়িত্ব আইনের খসড়া প্রণয়ন করে কোন বিভাগ?
সাংবিধানিক অ্যাটর্নি-জেনারেল সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?
নিয়োগ অ্যাটর্নি-জেনারেলকে নিয়োগ দেন কে?
সংস্থা অধস্তন আদালতের বিচারক বাছাই করে কোন সংস্থা?
পার্থক্য আইন কমিশন ও জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের পার্থক্য কী?
ব্যতিক্রম নিচের কোনটি এই মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়?

লিখিত পরীক্ষায় আসতে পারে "বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নির্বাহী বিভাগের ভূমিকা" ধরনের প্রশ্ন। তখন দুই বিভাগের কাজ, অ্যাটর্নি-জেনারেলের অবস্থান ও ক্ষমতা বিভাজনের নীতি একসঙ্গে লিখলে উত্তরটি পূর্ণাঙ্গ হয়।

অনুশীলনের জন্য বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্র্যাকটিস সেট ধরে এগোও।

এক নজরে মনে রাখার তথ্য

বিষয় তথ্য
মন্ত্রণালয় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
বিভাগ সংখ্যা দুটি
প্রথম বিভাগ আইন ও বিচার বিভাগ
দ্বিতীয় বিভাগ লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ
রাজনৈতিক প্রধান মন্ত্রী
প্রশাসনিক প্রধান সচিব
অবস্থান বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি-জেনারেল
অ্যাটর্নি-জেনারেল সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ ৬৪
অ্যাটর্নি-জেনারেলের নিয়োগকর্তা রাষ্ট্রপতি
বিচারক বাছাই সংস্থা বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন
আইন সংস্কার সুপারিশকারী সংস্থা আইন কমিশন
মন্ত্রিসভা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ ৫৫
মন্ত্রী নিয়োগ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ ৫৬

অন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে গুলিয়ে না ফেলা

কাজ সঠিক মন্ত্রণালয়
কারাগার ও পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
আবহাওয়া অধিদপ্তর ও স্পারসো প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
কর্মকর্তাদের বদলি ও পদোন্নতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
দূতাবাস ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
আইনের খসড়া ও আদালত প্রশাসন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

সারিগুলো ধরে বিস্তারিত পড়তে দেখে নাও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

প্রস্তুতি কীভাবে সাজাবে

প্রথম ধাপে শুধু দুই বিভাগের নাম ও কাজ। দ্বিতীয় ধাপে অ্যাটর্নি-জেনারেল ও অনুচ্ছেদ ৬৪। তৃতীয় ধাপে জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন ও আইন কমিশনের পার্থক্য।

এই তিনটি ধাপ শেষ হলে সংবিধানের বিচার বিভাগ সংক্রান্ত অধ্যায়ের সঙ্গে মিলিয়ে পড়ো — দুটো একসঙ্গে পড়লে দুটোই পাকা হয়।

পড়ার পর যাচাই জরুরি। বাংলাদেশ বিষয়াবলি অধ্যায় থেকে প্রশ্ন ধরে মিলিয়ে নাও, প্রশ্নব্যাংক থেকে বিষয়ভিত্তিক অনুশীলন করো, মক টেস্ট দিয়ে সময় ধরে নিজেকে বাজিয়ে দেখো এবং নিয়মিত প্র্যাকটিস চালিয়ে যাও। আইন সংক্রান্ত সাম্প্রতিক পরিবর্তনের খবর রাখতে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স দেখো।

নামটা লম্বা বলে ভয় পেয়ো না। দুই বিভাগ, এক অ্যাটর্নি-জেনারেল, দুই কমিশন — এই ছোট কাঠামোটুকু মাথায় বসিয়ে ফেললে এই মন্ত্রণালয় থেকে আসা প্রশ্ন তোমার জন্য নিশ্চিত নম্বর।

Ah

Ahosan Habib

@ahosanhabib922

অচিনপুরের নির্মাতা। BCS ও চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে লেখেন — সিলেবাস, ব্যাকরণ ও পড়ার কৌশল।

আইন মন্ত্রণালয়বিচার বিভাগসংবিধানবিসিএস প্রস্তুতি

আরও পড়ো