এনসিটিবি কি পরীক্ষা নেয়, না কি শুধু পাঠ্যবই বানায়?

২ আগস্ট, ২০২৬১১ মিনিট পড়া

এনসিটিবি বা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের কাজ, শিক্ষাক্রম প্রণয়ন, বিনামূল্যে বই বিতরণ এবং পরীক্ষায় আসা প্রশ্নের ধরন নিয়ে গোছানো নোট।

তোমার হাতে ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস টেন পর্যন্ত যত বই এসেছে, প্রায় সবগুলোর মলাটে একটা নাম ছিল — এনসিটিবি। অথচ চাকরির পরীক্ষায় "এনসিটিবির কাজ কোনটি নয়" জাতীয় প্রশ্ন এলে অনেকেই ভুল অপশনে টিক দিয়ে আসে।

কারণ নামের মধ্যে "বোর্ড" শব্দটা আছে, আর বোর্ড শুনলেই আমাদের মাথায় পরীক্ষা আর ফলাফলের ছবি ভেসে ওঠে। এই লেখায় সেই বিভ্রান্তিটাই গোড়া থেকে ভাঙব।

এনসিটিবি নামটা কীসের সংক্ষেপ

এনসিটিবির পূর্ণরূপ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড। ইংরেজিতে ন্যাশনাল কারিকুলাম অ্যান্ড টেক্সটবুক বোর্ড, সংক্ষেপে এনসিটিবি।

নামের ভেতরেই কাজের পরিচয় লুকানো আছে। দুটি শব্দ আলাদা করে দেখো — শিক্ষাক্রম আর পাঠ্যপুস্তক। এই দুটিই এনসিটিবির কাজ। নামের কোথাও পরীক্ষা শব্দটা নেই, কারণ পরীক্ষা এর দায়িত্বই নয়।

শব্দ কাজ
জাতীয় সারা দেশের জন্য অভিন্ন মান নির্ধারণ
শিক্ষাক্রম কী পড়ানো হবে, কীভাবে পড়ানো হবে, কীভাবে মূল্যায়ন হবে
পাঠ্যপুস্তক সেই অনুযায়ী বই রচনা, মুদ্রণ ও বিতরণ
বোর্ড সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত

কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন

এনসিটিবি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, যার প্রধান কার্যালয় ঢাকায়।

এখানে একটা সূক্ষ্ম কথা আছে যা তোমার ধরতে হবে। এনসিটিবি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন হলেও এটি প্রাথমিক স্তরের বইও তৈরি করে। অর্থাৎ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা যে বই পায়, সেটিও এনসিটিবিরই তৈরি — যদিও প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনার দায়িত্ব ভিন্ন মন্ত্রণালয়ের।

এই দুই মন্ত্রণালয়ের ভাগাভাগিটা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা আছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের লেখাটিতে। বই তৈরি এক জায়গায়, বিতরণ তদারকি আরেক জায়গায় — এই আলাদা ভাগটা প্রশ্নে খুব ব্যবহৃত হয়।

এনসিটিবি পরীক্ষা নেয় না

এটাই এই লেখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাক্য, তাই আলাদা সেকশনে রাখলাম।

এনসিটিবি কোনো পাবলিক পরীক্ষা নেয় না, ফল প্রকাশ করে না, সনদ দেয় না, প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দেয় না। এসব কাজ সম্পূর্ণভাবে শিক্ষা বোর্ডের।

কাজ এনসিটিবি শিক্ষা বোর্ড
শিক্ষাক্রম প্রণয়ন হ্যাঁ না
পাঠ্যবই রচনা ও মুদ্রণ হ্যাঁ না
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা না হ্যাঁ
ফল প্রকাশ না হ্যাঁ
সনদ প্রদান না হ্যাঁ
প্রতিষ্ঠান স্বীকৃতি না হ্যাঁ

দুই কলামের এই বিপরীত ছবিটা মাথায় গেঁথে নাও। বোর্ডের কাজের পুরো তালিকা ও কাঠামো পাবে শিক্ষা বোর্ড নিয়ে লেখাটিতে

শিক্ষাক্রম প্রণয়ন কীভাবে হয়

শিক্ষাক্রম বা কারিকুলাম মানে শুধু বিষয়ের তালিকা নয়। এটি একটা পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা — শিক্ষার্থী কী শিখবে, কেন শিখবে, কীভাবে শিখবে, আর শেখা হয়েছে কি না সেটা কীভাবে যাচাই হবে।

উপাদান কী নির্ধারণ করে
শিখনফল শিক্ষার্থী শেষে কী পারবে
বিষয়বস্তু কোন কোন বিষয় ও অধ্যায় থাকবে
শিখন-শেখানো পদ্ধতি শ্রেণিকক্ষে কীভাবে পড়ানো হবে
মূল্যায়ন কৌশল কীভাবে যাচাই হবে
সময় বণ্টন কোন বিষয়ে কত সময়

শিক্ষাক্রম তৈরির কাজে বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়। খসড়া তৈরি, পর্যালোচনা, মতামত সংগ্রহ ও চূড়ান্তকরণ — এই ধাপগুলো পার হয়ে তবেই শিক্ষাক্রম কার্যকর হয়।

শিক্ষাক্রম একবার বানিয়ে ফেলে রাখার জিনিস নয়। সমাজ বদলায়, প্রযুক্তি বদলায়, কর্মজগতের চাহিদা বদলায় — তাই নির্দিষ্ট সময় পরপর শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হয়। পরিমার্জনের সময় সাধারণত এই কাজগুলো হয়।

কাজ উদ্দেশ্য
চাহিদা নিরূপণ কোথায় ঘাটতি আছে তা চিহ্নিত করা
খসড়া প্রণয়ন নতুন কাঠামোর প্রস্তাব তৈরি
পরীক্ষামূলক প্রয়োগ নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানে যাচাই
মতামত সংগ্রহ শিক্ষক ও অংশীজনের প্রতিক্রিয়া
চূড়ান্তকরণ সংশোধন শেষে অনুমোদন
শিক্ষক প্রশিক্ষণ নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের প্রস্তুতি

শেষ সারিটা গুরুত্বপূর্ণ। নতুন শিক্ষাক্রম চালু হলে শিক্ষককে নতুন করে প্রশিক্ষণ দিতে হয়, নইলে বই বদলালেও শ্রেণিকক্ষের পড়ানোর ধরন বদলায় না।

শিক্ষাক্রম আর পাঠ্যক্রম এক জিনিস নয়

পরিভাষার এই পার্থক্যটা ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নে কাজে লাগে।

বিষয় শিক্ষাক্রম (কারিকুলাম) পাঠ্যক্রম (সিলেবাস)
পরিধি বিস্তৃত, সামগ্রিক পরিকল্পনা সংকীর্ণ, নির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক
অন্তর্ভুক্ত লক্ষ্য, বিষয়বস্তু, পদ্ধতি, মূল্যায়ন পড়ানোর বিষয়বস্তুর তালিকা
স্তর পুরো শিক্ষাস্তরের জন্য একটি বিষয় বা এক বছরের জন্য

সহজ কথায় — শিক্ষাক্রম হলো পুরো নকশা, পাঠ্যক্রম সেই নকশার একটা অংশ।

পাঠ্যপুস্তক রচনা থেকে শিশুর হাতে

বই তৈরির প্রক্রিয়াটা কয়েকটা ধাপে ভাগ করা যায়। ধাপগুলো মনে রাখলে ব্যাখ্যামূলক উত্তর লেখা সহজ হয়।

ধাপ কী হয়
এক শিক্ষাক্রম অনুযায়ী বইয়ের কাঠামো নির্ধারণ
দুই লেখক নির্বাচন ও পাণ্ডুলিপি রচনা
তিন সম্পাদনা, তথ্য যাচাই ও পরিমার্জন
চার অলংকরণ, নকশা ও ছাপার উপযোগী করা
পাঁচ দরপত্রের মাধ্যমে মুদ্রণের কাজ বণ্টন
ছয় ছাপা বইয়ের মান যাচাই
সাত জেলা-উপজেলা হয়ে বিদ্যালয়ে পৌঁছানো
আট শিক্ষার্থীর হাতে বিতরণ

মুদ্রণের কাজ এনসিটিবি নিজে করে না — দরপত্রের মাধ্যমে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়, আর এনসিটিবি কাগজের মান, ছাপার মান ও সময়সীমা তদারকি করে।

এই প্রক্রিয়ার কয়েকটি জায়গায় সমস্যা হলে পুরো সময়সূচি পিছিয়ে যায়। যেমন কাগজের সরবরাহে ঘাটতি, দরপত্র প্রক্রিয়ায় দেরি, কিংবা ছাপার মান যাচাইয়ে ব্যর্থতা। বছরের শুরুতে বই পৌঁছানোর ব্যাপারে খবরে যে আলোচনা দেখা যায়, তার মূল কারণ এই ধাপগুলোরই কোনো একটি।

লিখিত পরীক্ষায় "পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন প্রক্রিয়া বর্ণনা করো" জাতীয় প্রশ্ন এলে এই আট ধাপ ক্রমানুসারে লিখে দাও — কাঠামোবদ্ধ উত্তর পরীক্ষকের চোখে আলাদা হয়ে ধরা পড়ে।

বছরের প্রথম দিনে বিনামূল্যে বই

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে পরিচিত কর্মসূচিগুলোর একটি হলো বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়া। এই বিনামূল্যে বই বিতরণ কর্মসূচির কেন্দ্রে আছে এনসিটিবি।

প্রশ্ন উত্তর
বই কে তৈরি করে এনসিটিবি
ছাপার তদারকি কে করে এনসিটিবি
প্রাথমিক স্তরে মাঠপর্যায়ে বিতরণ তদারকি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
মাধ্যমিক স্তরে বিতরণ তদারকি সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও প্রতিষ্ঠান

"বই বানায় কে" আর "বই বিলি করে কে" — এই দুটো প্রশ্নের উত্তর আলাদা। প্রশ্নে যেটা চাওয়া হয়েছে, ঠিক সেটাই পড়ো। বিতরণসংক্রান্ত হালনাগাদ খবর দরকার হলে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স অংশ দেখো।

কোন কোন ধারার বই এনসিটিবি দেয়

এনসিটিবির বই শুধু সাধারণ ধারার স্কুলের জন্য নয়। কয়েকটি ধারা মিলিয়ে বই তৈরি হয়।

ধারা স্তর
প্রাক-প্রাথমিক শিশু শ্রেণি
প্রাথমিক প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি
মাধ্যমিক ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি
মাদ্রাসা ইবতেদায়ি ও দাখিল স্তর
কারিগরি ও ভোকেশনাল কারিগরি ধারার নির্ধারিত বই
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য ব্রেইল বই
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নিজস্ব ভাষায় প্রাথমিক স্তরের বই

শেষ দুটি ধারা প্রায়ই প্রশ্নে আসে, কারণ এগুলো বিশেষ উদ্যোগ হিসেবে খবরে থাকে। কারিগরি ধারার প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে বিস্তারিত জানতে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের লেখাটি দেখে নাও।

এনসিটিবির প্রশাসনিক কাঠামো

পদ দায়িত্বের ধরন
চেয়ারম্যান প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী
সদস্য, শিক্ষাক্রম শিক্ষাক্রম প্রণয়ন ও পরিমার্জন
সদস্য, পাঠ্যপুস্তক বই রচনা, সম্পাদনা ও মুদ্রণ তদারকি
সদস্য, অর্থ বাজেট ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা
সচিব দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক সমন্বয়

মনে রাখো — এনসিটিবির প্রধান চেয়ারম্যান, মহাপরিচালক নয়। অধিদপ্তরের প্রধান মহাপরিচালক, বোর্ডের প্রধান চেয়ারম্যান — এই পার্থক্যটা প্রশ্নে ধরা হয়।

সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষপদ নিয়ে একটা ছোট ছক মাথায় রাখলে অনেক প্রশ্ন এক ধাক্কায় মিলে যায়।

প্রতিষ্ঠানের ধরন শীর্ষপদের নাম
অধিদপ্তর মহাপরিচালক
বোর্ড চেয়ারম্যান
কমিশন চেয়ারম্যান
প্রকৌশল দপ্তর প্রধান প্রকৌশলী
বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য

ছকটা নিখুঁত নিয়ম নয়, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে খেটে যায় — আর পরীক্ষার হলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে এটুকুই যথেষ্ট।

কে কী করে: সীমারেখা টেনে নাও

প্রতিষ্ঠান মন্ত্রণালয়/বিভাগ মূল দায়িত্ব
এনসিটিবি শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক
শিক্ষা বোর্ড শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরীক্ষা, ফল, সনদ, স্বীকৃতি
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কারিগরি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভবন নির্মাণ ও মেরামত
ইউজিসি শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয় তদারকি
এনটিআরসিএ শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও সুপারিশ

অবকাঠামোর দায়িত্ব কার, সেটা আলাদা করে বুঝতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের লেখাটি পড়ে নাও।

যেসব ভুল সবচেয়ে বেশি হয়

ভুল ধারণা সঠিক তথ্য
এনসিটিবি এসএসসি পরীক্ষা নেয় পরীক্ষা নেয় শিক্ষা বোর্ড
এনসিটিবি সনদ দেয় সনদ দেয় বোর্ড
এনসিটিবি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন
এনসিটিবির প্রধান মহাপরিচালক প্রধান চেয়ারম্যান
শিক্ষাক্রম আর সিলেবাস একই শিক্ষাক্রম বিস্তৃত, সিলেবাস তার অংশ
এনসিটিবি নিজেই বই ছাপে মুদ্রণ হয় দরপত্রের মাধ্যমে, এনসিটিবি তদারকি করে
শুধু সাধারণ ধারার বই তৈরি করে মাদ্রাসা, কারিগরি, ব্রেইল ও নৃগোষ্ঠীর ভাষার বইও করে
প্রাথমিকের বই আলাদা প্রতিষ্ঠান বানায় প্রাথমিকের বইও এনসিটিবির

পরীক্ষায় যেভাবে প্রশ্ন আসে

ধরন এক — পূর্ণরূপ। এনসিটিবির পূর্ণরূপ বাংলায় ও ইংরেজিতে চাওয়া হয়। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড — মুখস্থ রাখো।

ধরন দুই — নেতিবাচক প্রশ্ন। "নিচের কোনটি এনসিটিবির কাজ নয়?" অপশনে পরীক্ষা গ্রহণ বা সনদ প্রদান থাকলে সেটিই উত্তর।

ধরন তিন — অধীনতা। কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন, এই সরাসরি প্রশ্ন।

ধরন চার — বিনামূল্যে বই। বই বিতরণ কর্মসূচির সঙ্গে কোন প্রতিষ্ঠান জড়িত, তা জিজ্ঞেস করা হয়।

ধরন পাঁচ — পরিভাষা। কারিকুলাম ও সিলেবাসের পার্থক্য, বা শিখনফল কী — সংক্ষিপ্ত প্রশ্নে আসে।

ধরন ছয় — পদ চেনা। এনসিটিবির প্রধান কে, উত্তর চেয়ারম্যান।

শিক্ষক নিয়োগ ও কমিশনের প্রশ্ন প্রায়ই একই সেটে থাকে, তাই সরকারি কর্ম কমিশন নিয়ে লেখাটি পাশাপাশি পড়ে ফেলো। আর আগের বছরের ধাঁচ বুঝতে বাংলাদেশ বিষয়াবলির প্রস্তুতি অংশে যাও।

এক নজরে মনে রাখার তথ্য

প্রশ্ন উত্তর
এনসিটিবির পূর্ণরূপ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড
কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষা মন্ত্রণালয়
প্রধান কার্যালয় ঢাকা
প্রতিষ্ঠানের প্রধান চেয়ারম্যান
প্রধান কাজ দুটি শিক্ষাক্রম প্রণয়ন ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন
পরীক্ষা নেয় কি না
সনদ দেয় কি না
বিনামূল্যে বই কর্মসূচি এনসিটিবির মাধ্যমে
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের বই ব্রেইল সংস্করণ
পরীক্ষার দায়িত্বে কে শিক্ষা বোর্ড

প্রস্তুতির পরের ধাপ

এই অধ্যায়টা এমন যে একবার পড়লেই মনে থাকে, কিন্তু অন্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিলিয়ে ফেললে সব গুলিয়ে যায়। তাই মেলানোর অনুশীলনটাই বেশি দরকার।

প্র্যাকটিস অংশে গিয়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক প্রশ্ন সমাধান করো, বিশেষ করে "কোনটি কার কাজ নয়" ধরনের প্রশ্নগুলো। এরপর একটা পূর্ণাঙ্গ মক টেস্ট দিয়ে দেখো চাপের মধ্যে তুমি সীমারেখাগুলো মনে রাখতে পারছ কি না।

লিখিত পরীক্ষার জন্য ভাষার ওপর দখল দরকার — বাংলা ব্যাকরণের বই থেকে নিয়মিত পড়ো। সব বিষয়ের প্রস্তুতি একসঙ্গে পাবে মূল প্রস্তুতির পাতায়, আর সরকারি সংস্থা নিয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লেখা হলো বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো

Ah

Ahosan Habib

@ahosanhabib922

অচিনপুরের নির্মাতা। BCS ও চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে লেখেন — সিলেবাস, ব্যাকরণ ও পড়ার কৌশল।

এনসিটিবিপাঠ্যপুস্তকবাংলাদেশ বিষয়াবলিবিসিএস প্রস্তুতি

আরও পড়ো